লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ২৭৭ বার
প্রমিজ
আতিফ আতাউর
বাংলারিপোর্টার.কম
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

ক্লাস নাইনে উঠে জানতে চাইল তাহমি-কথাটা এখন বলেন?


কি এক কারণে বছর খানেক আগে একটা কথার মানে জানতে চাইছিল । বলছিলাম বড় হও, তখন বলা যাবে।


ওর কথার উত্তরে বললাম, বলছিলাম না বড় হও? তখন বলবো।
দু’ঠোঁঠে বিরক্তি ফুটিয়ে তার পাল্টা প্রশ্ন-আমি আর কত বড় হবো?


এর এক বছর আবার তাহমির ফোন-এখন বলেন ওই কথাটার মানে?
আমি বিস্ময়ে অবাক হয়ে বললাম-কোন কথার মানে?
: ওই যে আপনি বলেছিলেন, আমি বড় হলে কথাটা বলবেন। আমি আজ টেনে প্রথম ক্লাস করেছি। এখন বলেন। তার অকপট জবাব।
আমি দ্বিতীয়বারের মতো বিস্মিত হলাম। বললাম, আর একটু বড় হও।
: আরো বড় হব?
- হুম। এই তো এসএসসিটা পাশ করো। তারপর।


ভেবেছিলাম এতদিন পর সব ভুলে যাবে ও। মাই গড, রেজাল্টের পরেরদিন ওর ফোন-কেমন আছেন? আম্মু রেজাল্টের খবর জানিয়েছে না?
- হুম জানিয়েছে।
: খুশি হননি?
- খুব খুশি হয়েছি।
: আপনি যেমনটা বলেছিলেন রেজাল্ট তেমনটাই হলো কীভাবে বলেন তো? ওর কণ্ঠে খানিকটা বিস্ময়!
- আরে আমি এসএসসি পরীক্ষা দিছি না?
: দিছেন তো, তাই বলে এভাবে মিলে গেল! ৩.৪৪। যাই হোক, কাল আপনি আমার সঙ্গে দেখা করবেন। ওকে।
ওর বলার ভঙ্গিই এমন যে, না করা যায় না। তাছাড়া আমারও মাঝে মধ্যে ওর সঙ্গে কথা বলে ভালো লাগে। বললাম, ওকে।


পরদিন হলুদ জামা পড়ে আনসার ক্যাম্পের সামনে হাজির হলো সে। সত্যি বলছি, দু বছর আগের সেই তাহমি আর এই তাহমির মধ্যে কোনো মিল নেই। দু’বছরে একটা মেয়ে এতটা বদলে যায়। অবাক হয়ে ভাবছি। তখনই ও চোখের ভ্রু নাচিয়ে জিজ্ঞেস করল, কি দেখেন? আমি ই তাহমি, ওকে?


চমকে উঠলাম আমি। মেয়েটা এতটা সপ্রতিভ হলো কী করে। ও কি ধরে ফেলল আমার মুগ্ধ হওয়ার ব্যাপারটা। সত্যি, হলুদ জামা পড়া এই তাহমিকে দেখে আমি মুগ্ধ। কিন্তু সেটা আমি প্রকাশ করতে চাই না। এখন তো নয়ই!


সেদিন আমরা ঘন্টাখানেক ঘুরে বেরালাম সি ব­ক জুড়ে। নানান কথার পর আবার তার সেই ঐতিহাসিক প্রশ্ন-এখন তো বলেন ওই কথাটা। আমি দীর্ঘ একটা শ্বাস ফেলে কিছু না বলেই চলে এসেছিলাম সেদিন।


এরপর তাহমি মাঝে মধ্যেই ফোনটোন করত। মন চাইলে আমিও। দুজন গল্প-টল্প করতাম। এর মধ্যে জানতে চাইতো কথাটা। আমি বলতাম না। পাশ কাটিয়ে যেতাম। আমি আসলে সময় নিতে চাচ্ছিলাম। বুঝে উঠতে পারছিলাম না তাকে কথাটা বলা উচিত হবে কি না? তাতে যদি দুজনের স্বাভাবিক সম্পর্কটাও নষ্ট হয়ে যায়। কলেজে উঠেই টেক্স পাঠাল সে-দেখা করতে পারবেন?


আমার তখন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষা। শিডিউল মেলে না। শেষ পর্যন্ত চারদিন পর দেখা করলাম ওর সঙ্গে। কলেজ শেষে সোজা চলে এসেছে সে। প্রথম দেখায় তো চিনতেই পারিনি। চোখে চশমা। এই মেয়ে চশমা পড়া শুরু করল কবে থেকে। কী এক কায়দা করে চুল বেধেছে। দেখতে বয়সের চেয়ে আরো বড় দেখাচ্ছে।


খিলগাঁও মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাসের কৃষ্ণচূড়া গাছের বাঁধানো বেদীতে বসে আছি দুজন। দুপুরবেলার ঝাঝালো রোদ। গরমে শার্ট ভিজে উঠছে। সাদা অ্যাপ্রন পড়া তাহমির দিকে চেয়ে দেখি ওর নাকে বিন্দু বিন্দু ঘাম। ইচ্ছে করল এই দৃশ্যটার একটা ছবি তুলে রাখি। মোবাইল ক্যামেরা তার মুখে পড়ার আগেই হিসাব বিজ্ঞানের মোটা বইটা দিয়ে মুখ আড়াল করে ফেলল সে। উঠল তার হাত আর বইয়ের ছবি। এখনো ফোল্ডারে পড়ে আছে সেই ছবি। আজ তার এক কথা-তাকে বলতেই হবে ওই কথাটা। আমি যেহেতু সিদ্ধান্ত নেইনি, সুতরাং বলি কীভাবে? নানা কথায় পাশ কাটাতে চাচ্ছি।


সেদিন হাত ছুঁয়ে শপথ করাল সে। সত্যি বলছি, এভাবে হাত ছুঁয়ে কেউ কখনো শপথ করায়নি আমাকে। জীবনের অভিজ্ঞতার ঝুলিতে অনেকদিন আগেই যুক্ত হয়েছে মেয়েটার নাম। আজ আরো আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেল। কলেজের ছেলেমেয়েরা আড্ডা দিচ্ছে। কাছেই। তাদের উপেক্ষা করে আমার হাত টেনে নিজের হাতে রেখে বলল-আমাকে ছুঁয়ে বলেন। আজ কথাটা বলবেন। মিথ্যে বলবেন না কিন্তু। প্লিজ।


আমার বুকের মধ্যে হাহাকার করে উঠল। এই মেয়েকে মিথ্যে বলি কী করে। এত নিষ্পাপ মুখ। যদি আমাদের সম্পর্কটা কখনো হয়ে যায় তখন নিজেকেই বা কীভাবে সান্তনা দেব। আজ যদি ওকে মিথ্যে বলি সারাটা জীবন সেটা বয়ে বেরাতে হবে। তবে কি বলবোই না। ও যেভাবে মুখের দিকে তাকিয়ে আছে স্পষ্ট বুঝতে পারছি সত্যি কথাটা শোনার জন্য অধীর হয়ে আছে। ওর চোখে আকুলতা। আশ্চর্য্য চশমা কখন খুলে ফেলল মেয়েটা।


দুই বছর আগে ওর দিকে পলকহীনভাবে তাকিয়ে ছিলাম। দেখে সে জানতে চাইল কী, এভাবে তাকিয়ে আছি কেন? আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিলাম-নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস/ ওই পাড়েতে সব সুখ আমার বিশ্বাস। কথাটা ও বোঝেনি সেদিন। বোঝার কথাও না। বুঝতে চেয়েছিল। আমিই বুঝতে দেইনি। বলেছিলাম পরে বুঝিয়ে দেব। সেই থেকে কথাটার মানে বোঝার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছে ও।


আমি জানি ও কী মানে শুনতে চায়। ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া এক তরুণের প্রতি এক কিশোরীর টান গড়ে ওঠাটাই স্বাভাবিক। তাহমি শুনতে চায় যে ওই কথার মানে হচ্ছে-নদীর অপর পাড়ে থাকা এক মেয়ে সে নিজে। আর এপারে থাকা তরুণটি আমি। কিন্তু সে কথা কী বলা সম্ভব। আমি ভাবতে পারি না।


ওর প্রমিজ সেদিন আমি রাখতে পারি নি। তার কদিন পর আবার তাহমির ফোন। আপনাকে রিকোয়েস্ট পাঠানো হইছে সেই সকাল এগারোটায়। এখন বাজে বিকেল পাঁচটা। রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করছেন না কেন? দাবির মতো শোনাল তার কথাটা।
: কোন রিকোয়েস্ট? আমি জানতে চাইলাম।
- রুপকথার জেরিন নামে একটা আইডি থেকে আপনাকে রিকোয়েস্ট পাঠানো হইছে। আপনি দেখেন নাই?
আমার মনে পড়ল হঠাৎ করে। হ্যাঁ, এই আইডি থেকে রিকোয়েস্ট এসেছে। কিন্তু এটা তো ফেক আইডি।
: আরে বাবা এটা ফেক আইডি না। মেয়েদের আইডি এরকমই হয়। বোঝেন না। ঘাস খান নাকি আপনি? কটমটে শোনাল তাহমির কণ্ঠ।
- এটা কী তোমার আইডি?
: আরে নাহ, আমার বান্ধবী রুপার আইডি। আমার কী ফোন আছে যে ফেসবুক চালাব। তাহমিকে ওর আব্বু-আম্মু এখনো ফোন দেয় নি। এটা আমি জানি। ও আম্মুর ফোনে আমার সাথে কথা বলে।
- জেরিন আমাকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে কেন?
: আরে বাবা, আপনাকে চেনে তো। আপনার কথা ওকে বলেছি না। আপনার ফ্রেন্ড হতে চায়। এখনো অ্যাকসেপ্ট করেন নি তাই ফোন করে জ্বালাচ্ছে। আমি আগেই বলেছিলাম আপনার কথা যে, ফেক আইডি উনি অ্যাকসেপ্ট করবেন না। আপনি প্লিজ রিকোয়েস্টটা অ্যাকসেপ্ট করেন।
রুপকথার জেরিনকে ফ্রেন্ডলিস্টে অ্যাড করাটাই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল আমার জন্য। যে আমার সারা সপ্তাহে একটা মেসেজ আসত কিনা সন্দেহ সেই আমার দিন নাই রাত নাই মেসেজ দিয়ে ভরে যেতে লাগল ইনবক্স। একটু রিপ্লাই দিতে দেরি। অমনি ঝাড়ি। নিজেকে কী মনে করেন আপনি হ্যাঁ। যে একটা মেয়ের মন বুঝতে পারে না সে আবার মানুষ হয় নাকি। আপনি ঢাকা আসছেন কেন বলুন তো? আপনার তো উচিত ছিল সিরাজগঞ্জে একটা ট্র্যাক্টর কিনে বাবার জমি হালচাষ করা। বাপরে বাপ! আরে কত কী? এরকম কথা শোনার পর যতটা সম্ভব তারাতারি রিপ্লাই করতাম জেরিনকে। তাহমিকে জিজ্ঞেসও করলাম-মেয়েটা এমন কেন করছে আমার সাথে। সে উদাস গলায় জবাব দিল-কী জানি।


দিন দিন জেরিনের প্রতি আমার সন্দেহ দানা বেঁধে উঠতে লাগল। এত প্রাইভেট প্রশ্ন করতে লাগল। নমুনা দেই-
আপনার গার্লফেন্ড আছে?
এই, আপনি প্রেম করেন?
আপনি কতগুলো প্রেম করেছেন?
আপনি বিয়ে করেছেন?
আজ আপনাকে একটা মেয়ের সঙ্গে আপন কপি শপে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি।
আপনি কী চাকরি করেন?
আপনি নাকি রিপোর্টার। দেখে কিন্তু তা মনে হয় না।


এসব প্রশ্নের বেশিরভাগের আমি রিপ্লাই দিতাম না। তিনমাস পর বুঝতে পারলাম রুপকথার জেরিন তাহমির কোনো বান্দবী নয়, তাহমিরই আইডি ওটা। এমন কেন করল জানতে চাইলাম। বলল- মজা করেছে আমার সাথে।


ও মজা করেছে বলেই হয়তো পাশ কাটাতে চাইল ব্যাপারটা। কিন্তু আমি জানি এটা নিছক মজা করার উদ্দেশ্য করে নি সে। ও এই টাইপের মেয়েই না। ছোটবেলা থেকে ওকে চিনি। তবে কী সত্যি সত্যি তাহমি জানতে চাইছে আমার ব্যাপারটা। প্রচণ্ড বুদ্ধিমতি মেয়ে। আমার ভালোলাগা আছে কী না সেটা আগে জানতে চাইছে। তারপরই কেবল নিজেরটা বলবে। ফেসবুক ট্র্যাপ ফেল করায় কিছুদিন গা ঢাকা দিল ও। মাস দুয়েক কোনো খবর নেই তার। একদিন অফিসে বসে কাজ করছি। হঠাৎ ওর ফোন।
: আমি কোথায় বলেন তো?
-আমি কী করে বলব তুমি কোথায়?
: গেজ করেন?
- ঢাকায়। আর কোথায়।
: হয়নি। আমি চাঁদপুরে। বাড়িতে চলে আসছি। এখন নদীর পাড়ে বেড়াতে আসছি। এত্ত সুন্দর পরিবেশ না বলে বোঝাতে পারব না। ভাবছিলাম আপনার সঙ্গে আর কোনোদিন কথা বলব না। কিন্তু এই পরিবেশটাই মনটা নষ্ট করে দিল। আপনাকে ফোন দিতে বাধ্য করেছে। যত্তসব। ওহ! কী সুন্দর বা...তা..স। চারিদিকে সবুজ আর সবুজ। কাশফুল ফুটে নদীর মধ্যে সা...দা হয়ে গেছে। ওকে শিশুর মতো খুশি মনে হচ্ছিল।
- একেবারে চলে গেছ নাকি? এমনি বললাম কথাটা।
: আরে নাহ। একটা কারণে আসছি।
- কী কারণে?
: আমার বিয়ে। ছেলেপক্ষ দেখতে আসবে তাই ঢাকা থেকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিছে।
- দূর কী যে বল না। এত ছোট মেয়েকে কেউ বিয়ে দেয়?
: আপনার কাছে তো আমি ছোট-ই রয়ে গেলাম। বড় হতে পারলাম কই?
-মানে?
: মানে বড় হলে নিশ্চয়ই আপনি তো আপনার ওই দুটো কথার মানে আমাকে এতদিনে বলে দিতেন তাই না। আমাকে কষ্ট করে আর আপনাকে বিরক্ত করতে হত না।


বাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরেই জরুরি দেখা করতে বলল তাহমি। সত্যি সত্যি ওর নাকি বিয়ে ঠিক হয়েছে। ছেলে দুবাই থাকে। সব কিছু ওকে। দু’মাস পর বিয়ে। ভালো ছেলে। বাড়ি আছে। জায়গা আছে। ওর আব্বু-আম্মু আর আপত্তি করেন নি। আপত্তি করেছে তাহমি। কিছুতেই সে বিয়ে করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। তার ওপর প্রচণ্ড চাপ রাজি হওয়ার জন্য। সে একা এই চাপ আর নিতে পারছে না। কী করবে জানতে চাইল আমার কাছে।
: আমি কী বলব?
- আপনি কী বলবেন মানে? আপনি জানেন না আপনি কী বলবেন? জেদীর মতো শোনাল ওকে।
: বুঝতে পারছি না।
ও এবার সরাসরি আমার দিকে তাকাল। চোখে চোখ রাখল। মুখে বিরক্তি নাকি ভৎসর্না ফুটিয়ে জিজ্ঞেস করল-আপনি আমাকে ভালোবাসেন না।
আমি ওর চোখের দিকে তাকাতে পারলাম না। অন্যদিকে চোখ ফেরালাম।
- কী হলো। চুপ করে আছেন কেন? বলেন, আপনি আমাকে ভালোবাসেন না। রেগে গেছে ও। আমি নিচের দিকে তাকালাম।
-চুপ করে থাকবেন না প্লি­জ। হয় বলেন ভালোবাসেন নয়তো বলেন বাসেন না। ব্যস। আমি আর পারছি না। অনেক অপেক্ষা করেছি আর পারবো না। হয় বেঁচে থাকবো নয়তো মরে যাব। দুটোর একটা।
: তুমি আমাকে ভালোবাস? জিজ্ঞেস করলাম আমি।
- আপনি বোঝেন না? চোখ ঘুরিয়ে বলল কথাটা।
: আমার বিশ্বাস হয় না।
- কী করলে আপনার বিশ্বাস হবে? কটমটে ভাব ওর মধ্যে।
: আমায় ছুঁয়ে প্রমিজ করো কোনোদিন চলে যাবে না।
- আপনি আমাকে ভালোবাসেন? কথাটা বলার সময় এবার ওকে লজ্জিত দেখাল।
: বাসি, আমি তোমাকে ভালোবাসি। দু’বছর ধরে তোমাকে ভালোবাসি। মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসি।
-আমার বিশ্বাস হয় না। আমার কথাটাই ফিরিয়ে দিল তাহমি।
: কী করলে তোমার বিশ্বাস হবে?
- আমায় ছুঁয়ে প্রমিজ করেন কোনোদিন চলে যাবেন না। মিছে কান্নার মতো করে তাহমি বলে উঠে কথাটা। শুনে দুজনেই হেসে উঠি। হেসে উঠে ব্লু মুন রেস্টুরেন্টের ওয়েটারটাও।


আমরা একে অপরের দিকে চেয়ে থাকি। দুজনকে জনম জনমের চেনা মনে হয়। আপন মনে হয়। আমাদের সামনে ধোঁয়া উঠতে থাকা দু-কাপ গরম কফি ক্রমশ ঠান্ডা হতে থাকে।

সাহিত্য এর অন্যান্য খবর
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com