লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ১৭৩ বার
ধর্ষণ করতে গিয়ে
পুরুষাঙ্গ খোয়ালেন ধর্মগুরু
বাংলারিপোর্টার.কম
শনিবার, ২০ মে ২০১৭    

ভারতের কেরালা রাজ্যের এক ছাত্রী শুক্রবার রাতে এক হিন্দু ধর্মগুরুর পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছে।


কথিত ওই ধর্মগুরু ছয় বছর ধরে নিয়মিত এ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন চালিয়েছেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।


গত রাতে ওই ব্যক্তি মেয়েটির বাড়িতে এসে তাকে আবারো ধর্ষণ করতে উদ্যত হলে সে একটি ছুরি দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়। তার পর নিজেই পুলিশের কাছে ঘটনাটি জানায়।


হাসপাতালের তরফে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ প্রায় ৯০ শতাংশ কেটে গেছে, সেটি জোড়া দেয়া প্রায় অসম্ভব।


কেরালার রাজধানী থিরুভনন্তপুরমের পুলিশ কমিশনার স্পর্জন কুমার বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, ‘২৩ বছর বয়সী আইনের ছাত্রী ওই মেয়েটি এবং তার পরিবার কোল্লাম জেলার যে হিন্দু আশ্রমের ভক্ত ছিল, সেখানকারই ধর্মগুরু ছিলেন গঙ্গেশানন্দ তীর্থপদ ওরফে হরিস্বামী নামের ওই ব্যক্তি।’


‘মেয়েটি আমাদের জানিয়েছে যে তার বয়স ১৭ বছর, তখনই হরিস্বামী তাকে প্রথম ধর্ষণ করে কিন্তু আশ্রমের স্বামীজিকেই বাবা-মা বেশি বিশ্বাস করবে, এই ভয়ে মেয়েটি কিছু বলতে পারেনি বলে বলেন পুলিশ কমিশনার স্পর্জন কুমার।


তারপর থেকে ছয় বছর ধরে তিনি নিয়মিতই যৌন নিপীড়ন চালাতেন। গত রাতে হরিস্বামী আবারো মেয়েটির বাড়িতে গিয়ে নিপীড়নের চেষ্টা করলে তখনই ছুরি দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দেয় ওই ছাত্রী।


ওই ঘটনার পরে ছাত্রীটি নিজেই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করে খবর দেয়। মেয়েটির পরিবারই ওই ধর্ষককে থিরুভনন্তপুরমের মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায় শুক্রবার রাত প্রায় সাড়ে ১২টায়।


চিকিৎসকেরা বলছেন, ‘৫৪ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে যখন হাসপাতালে আনা হয়, তখন তার পুরুষাঙ্গ শরীর থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল হলেও পুরুষাঙ্গ জোড়া দেয়া প্রায় অসম্ভব।’


ওই ছাত্রীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে হরিস্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে।


একই সাথে শিশুদের যৌন নিপীড়ন থেকে রা করার যে কঠোর আইন তৈরি হয়েছে, সেই ‘পস্কো’ আইনেও মামলা হয়েছে।


পুলিশ বলছে, ওই ছাত্রীর ওপর যখন প্রথম যৌন নির্যাতন হয়, তখন যেহেতু সে নাবালিকা ছিল, তাই পস্কো আইনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে।
কেরালার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো কোল্লাম জেলার ওই আশ্রমটিকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, হরিস্বামী তাদের সাথে ১৫ বছর ধরেই আর যুক্ত নেই।


তারা আরো লিখছে, হরিস্বামী ওই ছাত্রীর বাড়িতে প্রায়ই আসত তার মাকে সাহায্য করার অছিলায়। মেয়েটির বাবা বছর কয়েক আগে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হন। হরিস্বামী এই ছাত্রীটির মতো নিয়মিত তার মাকেও ধর্ষণ করত বলে সে পুলিশকে জানিয়েছে।


তবে ছাত্রীর মাকেও পুলিশ আটক করেছে, কারণ তারা মনে করছে মেয়েকে যে ওই সাধু ধর্ষণ করে, সেটা তিনি জেনেও চুপ করে ছিলেন। আইনের চোখে এটাও অপরাধ। ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে এখনো কোনো মামলা দায়ের করেনি পুলিশ।


কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ওই ছাত্রীর অসীম সাহসকে বাহবা দিয়েছেন।
খবর ও ছবি বিবিসি

স্পেশাল নিউজ এর অন্যান্য খবর
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com