লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ২১ বার
খালেদা জিয়া: আগামী বছর হবে জনগণের বছর
বাংলারিপোর্টার.কম
বুধবার, ০৭ জুন ২০১৭   

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, ২০১৮ সাল হবে জনগণের বছর। ইনশাল্লাহ আমরা বিশ্বাস করি, ২০১৮ সাল দেশের মানুষের বছর হবে এবং দেশ থেকে সকল অত্যাচার ও অত্যাচারি বিদায় নেবে। আমরা পবিত্র রমজান মাস এই দোয়া করি।


মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর লেডিস ক্লাবে ২০ দলীয় জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে বিএনপি নেত্রী একথা বলেন। খালেদা জিয়া ইফতারের মিনিট ১৫ আগে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন। তাকে স্বাগত জানান এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ। পরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এলডিপির মহাসচিব রেদওয়ান আহমদ।


বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, এ আওয়ামী লীগ মানুষকে ভাওতা দেয়ার জন্য অনেক মিথ্যা কথা বলে। কিন্তু কাজে কখনো পরিণত করে না। তারা মানুষকে আশা দিয়েছিলো ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে। কিন্তু আজকে ১ কেজি চালের দাম ৫০ টাকা। গরিব মানুষের অবস্থা খারাপ। মাছ-মাংসের দামের কথা বাদই দিলাম। কোন সবজি ৪০-৫০ টাকার নিচে পাওয়া যায় না। তার উপর আবার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করেই যাচ্ছে। বিদ্যুৎ ও পানির দামসহ প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়িয়েছে সরকার। এখন কী উন্নয়ন করছে তারা? এতো বিদ্যুৎ দিবে বাংলাদেশ নাকি ঝলমল করবে। কিন্তু এখন ঢাকা শহরেই লোডশেডিং বেড়ে গেছে। সারাদেশ অন্ধকারে। এই হচ্ছে সত্যিকার আওয়ামী লীগের উন্নয়নের নমুনা।


সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে দেশে আইনের শাসন বলে কিছু নেই। মানুষ ন্যায় বিচার পাচ্ছে না। কারণ বিচারবিভাগ বিচারকরা নয়, নিয়ন্ত্রণ করে আওয়ামী লীগ সরকার। তারা কাউকে সম্মান দিতে যানে না। পুলিশ-শিক্ষকের গায়েও তারা হাত তুলছে। ২০১৬ সাল ছিলো আওয়ামী লীগের ব্যাংক চুরির বছর। ব্যাংকের টাকা চুরি করতে করতে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকাও চুরি করে পাচার করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরির ঘটনায় তদন্ত কী হয়েছে কেউ যানে না। সেই তদন্ত রিপোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংকে রাখা ছিলো। সেখানেও আগুন লাগলো।


বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, এদের কাছে ভালো কী আশা করবেন, নির্বাচন আসলে তারা এতো মিথ্যা কথা বলে, অনেক উন্নয়নের ফিরিস্তি দেবে কিন্তু হিসাব চাইলে সেটা তারা মেলাতে পারবে না। এই বারের বাজেটে সরকার মানুষের পকেটেও হাত দিয়েছে। এর ফলে ব্যাংকে টাকা রাখতে কেউ সাহস করবে না। এক লাখ টাকা রাখলে বছরে ৮০০ টাকা কেটে নেবে, তাহলে থাকবে কি? তারপরও অর্থমন্ত্রী বলেন, যার ১ লাখ টাকা থাকবে সে বড়লোক। তাহলে আপনাদের হাজার হাজার কোটি টাকার কী হবে?


ইফতার মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, জামায়াত ইসলামের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম।


এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল রহমান গণি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তুজা, ইসলামী ঐক্যজোটের এম এ রকিব, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) রেহানা প্রধান, বিএনপির উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব উন নবী খান সোহেল প্রমুখ।

রাজনীতি এর অন্যান্য খবর
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com