লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ২৫৫ বার
শরীরের ব্যথার সমাধান রান্নাঘরে
বাংলারিপোর্টার.কম
মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭

সবসময় ব্যথানাশক বড়ি খাওয়া যে শরীরের জন্য ভালো না সেটা এখন অজানা নয়। তাই শরীরের ব্যথা কমাতে ব্যবহার করতে পারেন প্রাকৃতিক উপাদান।


স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, খাবার খেয়েই কমানো যায় ব্যথা। দেখুন তো রান্না ঘরে উঁকি দিয়ে নিচের খাবারগুলো আছে কিনা।


চেরি: এই ফলের ব্যথানাশক গুণ সম্পর্কে হয়ত অনেকেই জানেন না। এতে থাকে ‘অ্যান্থোসায়ানিনস’ নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান যা জ্বালাপোড়া ও ব্যথা সারাতে সাহায্য করে। তবে একবারে একমুঠের বেশি খাওয়া যাবে না।


হলুদ: ‘কারকিউমিন’ নামক উপদানের কারণে এই মসলার রং হলুদ হয়। এতে থাকে প্রদাহরোধী উপাদান যার কার্যকারিতা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের সমতুল্য। হাড়ের জোড়, মাংসপেশির ব্যথা ও ফুলে যাওয়া সারাতে হলুদ অত্যন্ত উপকারী। দুধ কিংবা চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে বেশি উপকার মিলবে।


আদা: এতেও আছে প্রদাহরোধী উপাদান যা বাতের ব্যথা, পেট ব্যথা, বুক ব্যথা, মাসিকের ব্যথা এবং মাংসপেশির ব্যথা সারাতে সহায়ক।

লাল আঙুর: এতে আছে ‘রেসভেরাট্রল’ নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যে কারণে ফলটির রং লালচে হয়। হাড়ের জোড় ও মেরুদণ্ডের ব্যথা সারাতে কার্যকর এই উপাদান। এটাও খেতে হবে একমুঠ পরিমাণ।


পিপারমিন্ট: ভেষজ গুণের জন্য পরিচিতি আছে মেনথলের। মাংসপেশি, দাঁত, মাথা ও স্নায়ুজনীত ব্যথার চিকিৎসায় কার্যকর। মন-মেজাজও ঠাণ্ডা করে এটি। মেনথল বা পুদিনাপাতা চিবিয়ে খেতে পারেন।


লবণ: ১০ থেকে ১৫ টেবিল-চামচ বা এক কাপ লবণ এক বালতি পানিতে গুলে ১৫ মিনিট গোসল করতে হবে। এতে শরীরের কোষ থেকে পানি বেরিয়ে যাবে ফলে ব্যথা কমবে।


সয়া: ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন (এনসিবিআই)’য়ের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, সয়া’তে থাকা আমিষ- বাতের ব্যথা ও অস্টিওপোরোসিসের উপসর্গ থেকে রক্ষা করে। সয়া’তে থাকে ‘আইসোফ্লাভনেস’, যা প্রদাহরোধী উপাদান হিসেবে সুপরিচিত। এজন্য পান করুন সয়ার দুধ।


দই: শরীরের ফোলাভাব, প্রদাহ ও ব্যথা সারাতে দই বেশ উপাকারী। দইয়ে থাকা স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া হজমে সহায়তা করে এবং তলপেটের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। খেতে হবে বাটি ভরে।


ঝালমরিচ: এতে থাকা ‘ক্যাপসাইসিন’ নামক সক্রিয় উপাদান অসংখ্য ব্যথানাশক ক্রিমের অন্যতম উপাদান। এটি স্নায়ুর প্রান্তগুলোকে আরাম দেয় এবং ব্যথা তৈরির রাসায়নিক উপাদান গ্রাস করে ফেলে। খাবারে কিংবা সুপের মধ্যে আধা চা-চামচ ঝালমরিচ মিশিয়ে খেতে হবে।


কফি: এতে আছে ক্যাফেইন, যা ব্যথার মাত্রা কমায়। পাশাপাশি অন্যান্য ব্যথানাশকের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তবে নিয়মিত কফি খাওয়া অভ্যাস থাকলে শরীরে কফির ব্যথানাশক গুণ কাজ নাও করতে পারে।
তথ্যসূত্র : বিডিনিউজ

স্বাস্থ্য এর অন্যান্য খবর
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com