লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ৫৫৬ বার
'হয় সংসার নয় সুইসাইড'
বিয়ে করেও স্ত্রীর মর্যাদা না পেয়ে 'হয় সংসার নয় সুইসাইড' এমন সিদ্ধান্তে স্বামীর বাড়িতে অনড় অবস্থান নিয়েছেন কালীগঞ্জের সঞ্চিতা রানী নামের এক কলেজ ছাত্রী।

বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার শীববাড়ি এলাকায় স্বামী বিধান চন্দ্র রায়ের বাড়িতে স্ত্রীর দাবিতে অনড় অবস্থান নেন সঞ্চিতা রানী।

ওই দিন গভীর রাতে বেরসিক পুলিশ শ্বশুরের কথিত অভিযোগে তাকে জোড়পূর্বক থানায় নিয়ে আসেন। শুক্রবার দুপুরে আদিতমারী থানায় তার সাথে কথা বলে জানা যায়, সঞ্চিতা রানী (২০) একই জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের বান্দের কুড়া গ্রামের ফুলকুমার রায়ের মেয়ে কাকিনা উত্তর বাংলা ডিগ্রী কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, আদিতমারী উপজেলার শীববাড়ি এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য পরবানন্দ রায়ের ছেলে বিধান চন্দ্র রায় (২৪) ও সঞ্চিতার মধ্যে ২০০৯ সাল থেকে প্রেমের সম্পর্ক। এ সম্পর্ক এক পর্যায়ে দৈহিক সম্পর্কে পরিণত হলে পরিবারের অমতে বিধান চন্দ্র সঞ্চিতাকে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করে কালীমন্দিরে মালা বদল করে। সে আদালতে কপি হাতে নিয়েই স্বামীর বাড়িতে এসেছে সঞ্চিতা রানী।

এ দিকে বিধানের পরিবার এ বিয়েতে রাজি না থাকায় অনেকটাই বিপাকে পড়েন বিধান চন্দ্র। অবশেষে স্বামী বিধান চন্দ্র গত ২৩ অক্টোবর বিকেলে সঞ্চিতাকে নিজ বাড়িতে ডেকে নিলে শুরু হয় সঞ্চিতার উপর নির্যাতন। এক পর্যায়ে তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় শ্বশুর শ্বাশুড়ি।
 
বাবা মায়ের অমতে নিজ বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এসে স্বামীর বাড়িতেও জায়গা না পেয়ে নিরুপায় হয়ে এক পিসীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে সঞ্চিতা রানী এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন।  

এ দিকে তার শ্বশুর স্বামীকে অন্যত্র বিয়ে দেয়ার প্রস্ততি নিলে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্ত্রীর দাবিতে স্বামীর বাড়িতে প্রবেশ করে। শুরু হয় আবারো শারিরীক নির্যাতন। স্বামীর পরিবারের লোকজন যখন কোন অবস্থাতেই তাকে সড়াতে পারছেন তখন নেয়া হয় থানা পুলিশের সাহায্য। প্রভাবশালী পরিবার তাই ফোন পাওয়া মাত্রই চলে আসে থানা পুলিশ। তারাও অনেকটাই জোর করে তুলে নিয়ে আসেন থানায় এমনটি অভিযোগ সঞ্চিতার।

পরে সঞ্চিতার শ্বশুড় অনাধিকার প্রবেশের দায়ে তার উপর থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। সে অভিযোগে পুলিশ তাকে নিয়ে এসেছে বলে জানান থানা পুলিশ।

সঞ্চিতা রানী জানায়, প্রেমিক নয় স্বামী হিসেবে বিধান চন্দ্রকে সব কিছুই উজাড় করে দিয়েছি। এখন হয় সংসার নয় তো ওই বাড়িতেই আত্মহত্যা। পুলিশ টাকা খেলেও আমাকে বাঁচাতে পারবে না।

আদিতমারী থানার ওসি আসলাম ইকবাল জানান, সঞ্চিতার একটাই কথা হয় সংসার নয় সুইসাইড। এ অবস্থায় আমাদের কি আর করার। উভয় পক্ষের অভিভাবভদের থানায় ডেকেছি। তারা এলে একটা ব্যবস্থা হবে।
রংপুর বিভাগ এর অন্যান্য খবর
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com