লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ৪৮৭ বার
সিলেট শহরে গাভীয়ার খালের নতুন জীবন
অবশেষে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকার স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে নগরীর ৯টি ছড়া, খাল উদ্ধার প্রকল্পের আওতায় গাভীয়ার খালের ৩ কি.মি. উদ্ধার করে সেখানে দৃষ্টিনন্দন লেক চালু করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সেই লেকে স্পিডবোট নিয়ে গাভীয়ার খাল ভ্রমণ করেন সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে। এ সময় এই দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য উপভোগ করতে খালের উভয় তীরে জনতার ভীড় জমে।

মাঘের রোদেলা দুপুরে নগরীর নবাবরোডের কালভার্টের নিচে গাভীয়ার খালে সাজিয়ে রাখা ছিল ৪টি স্পিডবোট। সাংবাদিক, কাউন্সিলর, প্রকৌশলী, স্থানীয় ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে স্পিডবোটে ওঠেন সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। স্পিডবোট নিয়ে নবাব রোডের গাভীয়ার খাল হয়ে এলাকাটি ঘুরে দেখেন তারা।

গাভীয়ার খালের উপর দিয়ে স্পিডবোট নিয়ে ঘুরে বেড়াব-এটা আজ ভাবতে ভালো লাগছে, এই মন্তব্য করে সিলেটের প্রবীণ ফটো সাংবাদিক আতাউর রহমান আতা বলেন, ''এভাবে সকল ছড়া ও খাল উদ্ধার করা হবে এমন প্রত্যাশা নিয়ে বুক বেঁধে আছেন সিলেট নগরবাসী।'' খালের পারের বাসিন্দারা জানালেন গত ডিসেম্বরে এই অংশে যখন কাজ শুরু হয় তখন খাল ছিল ভরাট, এমনকি বাঁধ দিয়ে পানির প্রবাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। মাত্র এক মাসের মধ্যে এসব পরিষ্কার করাটা নি:সন্দেহে যুগান্তকারী কাজ।

মেয়র আরিফুল হক বলেন, উদ্দেশ্য মহত থাকলে, আন্তরিকতার সাথে কাজ করলে ও সাথে জনগণ থাকলে সবই সম্ভব। একসময় এই খাল দিয়ে বড় বড় ঘন্টি নৌকা চলাচল করতো। খালের সেই পুরনো রূপ ফিরিয়ে আনা সম্ভব-তা দেখানোর জন্যই এই স্পিডবোট ভ্রমণ। সবকটি ছড়া উদ্ধার করে এভাবে লেকের রূপ দিলে এটা হবে পর্যটন নগরী সিলেটের বাড়তি আকর্ষণ। পর্যায়ক্রমে সিলেটের প্রতিটি খাল ও ছড়াকে পুরনো রূপে ফিরিয়ে আনা হবে। এতে পর্যটন সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা থাকবে না।

মেয়র জানান, ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে বিলপাড়-কুয়ারপাড়-শেখঘাট-লালাদিঘীরপাড় এলাকার সাথে গাভীয়ার খালের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। এই জায়গা ব্যক্তি মালিকানাধীন হলেও জায়গার মালিক সিটি কর্তৃপক্ষকে জমি দেয়ায় সংযোগ স্থাপনের কাজ চলছে।

গাভীয়ার খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ কিলোমিটার। সিটি কর্তৃপক্ষ ৩ কিলোমিটার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। পূর্বে কোন কোন জায়গায় ৪/৫ ফুট প্রশস্ত থাকলেও উদ্ধারের পর গড়ে ২০ ফুট এমনকি কোন কোন জায়গায় খালের প্রস্থ ৩০ ফুট হয়েছে। গাভীয়ার খালের সাথে সুরমা নদীর বন্ধ সংযোগমুখটি উদ্ধারে সাথে সাথে সুরমা নদীর যে অংশে খালের পানি নামবে সেই অংশটিও খনন করতে হবে।
সিলেট বিভাগ এর অন্যান্য খবর
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com