লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ৫৪৮ বার
পাকা সড়ক না থাকায় বিশ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি
তারাগঞ্জ উপজেলার ওকড়াবাড়ি থেকে কাশিয়াবাড়ি বাজার পর্যন্ত নয় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটি সংস্কার না করায় দুই ইউনিয়নের ২০ গ্রামের বাসিন্দারা ভোগান্তি পোহাচ্ছে। হাড়িয়ারকুঠি ও ইকরচালী ইউনিয়নের সঙ্গে তারাগঞ্জ সদরের এই সংযোগ সড়কের প্রায় ৯৫ মিটার সাত মাস আগে বন্যায় বিলীন হয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তা ভাঙা অংশে মাটি ভরাট না করায় রিকশা-ভ্যান কিংবা মাইক্রোবাসগুলো অতিরিক্ত পথ ঘুরে সদরে যাতায়াত করছে। আর লোকজন চলাচল করছে জমির আইল দিয়ে। হাড়িয়ারকুঠির কাশিয়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ভাঙা সড়কের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কৃষকেরা। তারা উত্পাদিত ফসল সদরে নিতে ছয় কিলোমিটার পথ বেশি ঘুরতে বাধ্য হচ্ছেন। কোনো রোগী সদরে নিতেও সমস্যা হচ্ছে। দুটি ইউনিয়নের ২০ গ্রামের এসব মানুষকে বাড়তি খরচ করে ছয় কিলোমিটার দূরের বামনদিঘী-পারঘাট সড়ক দিয়ে তারাগঞ্জ সদরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

একই ইউনিয়নের খলেয়ানন্দরাম গ্রামের ব্যবসায়ী শওকত মন্ডল ও উজিয়াল গ্রামের কৃষক মমিনুল হক জানান, তারা সড়কটির ভাঙা স্থানে মাটি ভরাটের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে পাঁচ মাস আগে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু এখনো সমস্যা মেটেনি। হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কুমারেশ রায় বলেন, 'এ বছরে কাবিখা প্রকল্পের মাধ্যমে ওই রাস্তার ভাঙা অংশটি মাটি ভরাট করে সংস্কারের চেষ্টা করব।' উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেফাউল আজম বলেন, খোঁজ নিয়ে পরিকল্পনা করে রাস্তার ওই স্থানে মাটি ভরাটের উদ্যোগ নেয়া হবে।
রংপুর বিভাগ এর অন্যান্য খবর
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com