লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ৫৬৮ বার
বড়াইগ্রামে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৫
জেলার বড়াইগ্রামে উপজেলা নির্বাচনে দল সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট দেয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও মারপিট করে ৫ জনকে আহত করেছে বিএনপি সমর্থকরা। গত রোববার রাতে ও গত সোমবার সকালে উপজেলার পাঁচবাড়ীয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষতিগ্রস্তরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ ও ক্ষতিগ্রস্তরা জানায়, গত রোববার রাতে স্থানীয় বিএনপি সমর্থিত কয়েকজন সন্ত্রাসী পাঁচবাড়ীয়া এলাকার গিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় খবর পেয়ে বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গত সোমবার সকালে তারা পুনরায় ওই এলাকায় গিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে ও মারপিট করে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত আব্দুর রশিদ, আবুল কাশেম, জহির, শহীদ রাজু মেম্বারসহ অনেকে জানান, গত রোববার উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে ভোট দেয়ার কারণে তাদের ওপর এই হামলা চালানো হয়। সে সময় পুলিশ আসায় তারা পালিয়ে গেলেও গত সোমবার সকালে অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুনরায় আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বাড়ি ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট করে এবং তাদের মারপিট ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। তারা তদন্ত করে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী জানান, গত রোববার হামলা চালানোর পর তিনি বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তারা পালিয়ে যায়। গত সোমবার সকালে তারা আবার হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট, মারপিট ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। তারা সংখ্যালঘুদের বাড়িতেও হামলা চালায়। বিএনপির মান্নান মেম্বারের নেতৃত্বে তারা এ হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, গত রোববার রাতের ঘটনা পর পুলিশ যদি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতো তাহলে গত সোমবার এ ঘটনা ঘটতো না। এ ঘটনায় শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক ও নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ একরামুল আলম জানান, এটা দলীয় কোনো বিষয় নয়। তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে।

বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কৃষ্ণ মোহন সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, খবর পাওয়া পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে প্রয়াজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রাজশাহী বিভাগ এর অন্যান্য খবর
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com