লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ১১০০ বার
গাইবান্ধা সংবাদ
আরিফ উদ্দিন
গাইবান্ধা
১১-০৪-২০১৪

সাঘাটায় কৃষকদের মাঝে ঋণ-এর চেক বিতরণ

গাইবান্ধার সাঘাটায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও মনোহর আইসিএম কৃষক ক্লাব রংপুরের যৌথ আয়োজনে কৃষক-কৃষানীদের মাঝে কৃষি ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে কৃষক-কৃষানী সমাবেশ আজ সন্ধ্যায় ভরতখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মনোহর আইসিএম ক্লাবের সভাপতি তহিদুল ইসলাম তুহিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এড. ফজলে রাব্বী মিয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাঘাটা উপজেলা  পরিষদ চেয়ারম্যান এড. গোলাম শহীদ রঞ্জু, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা কৃষিঋণ ও আর্থিক সেবা বিভাগের কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র মল্লিক, প্রোগ্রামস কর্মকর্তা মাসুম পাটোয়ারী, বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়ার মহাব্যবস্থাপক ইউনুছ আলী, সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি নাজমুল হুদা দুদু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ সরকার বাবু, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি হারুনুর রশিদ হিরু, সাধারণ সম্পাদক নাসিরুল আলম স্বপন, ভরতখালী ইউপি চেয়ারম্যান ছামছুল আজাদ শিতল, বোনারপাড়া সোনালী ব্যাংক ব্যবস্থাপক আহম্মদ হোসেন, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক জুমারবাড়ী শাখা ব্যবস্থাপক গোলাম রাব্বানী, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বোনারপাড়া শাখা ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম প্রমুখ। জেলার ১৫টি ব্যাংকের অধিনে ১শ ৪৩ জন কৃষক-কৃষনীর মাঝে ডেপুটি স্পিকার প্রায় ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা কৃষি ঋণের চেক প্রকাশ্যে বিতরণ করেছেন।


জামায়াত-বিএনপি সরকারের উন্নয়নের ধারা
বাধাগ্রস্থ্য করতে তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত
--- অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ এমপি

গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, মেইল ট্রেন মিস করে জামায়াত-বিএনপি লোকাল ট্রেনে উঠে গোন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে দিশেহারা। তাই সরকারের উন্নয়নের ধারা বাধাগ্রস্থ্য করতে তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বিএনপি-জামাত শিবিরের সড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান। তিনি গতকাল রাজাহার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত শহরগছি আদর্শ কলেজ মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তিতায় এসব কথা বলেন। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শাকিল আকন্দ বুলবুলের পরিচালনায় রাজাহার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি তাহাজুল ইসলাম ভূট্টোর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে আরোও বক্তব্য রাখেন, সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন ফকু, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি কাজী সাখোয়াত হোসেন, সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান বাবলু, সাংগনিক সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম জুয়েল, স্বেচ্ছা-সেবকলীগের সভাপতি আব্দুল লতিব প্রধান, আ.লীগের প্রচার সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকি, প্রিন্সিপাল কে এম আনোয়ারুল ইসলাম ফারুক, আফরোজা বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান জোবায়ের হাসান শফিক মাহমুদ গোলাপ, আ.র.ম শরিফুল ইসলাম জর্জ, আবু সুফিয়ান মন্ডল, আ.লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ, মজিদুল ইসলাম পুতুল মেম্বর প্রমূখ। গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শতাধিক বিএনপি নেতা কর্মী প্রধান অতিথির হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামীলীগে যোগদান দেন। এর আগে প্রধান অতিথি শাখাহার ইউপির বানিহারা-খারিতা গ্রামে পীর রহমতউল্লাহ এতিম খানার শুভ উদ্বোধন করেন। সে সময় উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব আফাজ উদ্দিন সরকার, আলহাজ্ব তাহেরুল, বাবল সরকারু, লাবলু সরকার, আতোয়ার, আহাম্মদ, নুর আলম, শুকুর আলী প্রমূখ।


গাইবান্ধায় সদরে বিভিন্ন দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

ভ্রাম্যমান আদালত বুধবার বিভিন্ন কনফেশনারি দোকানের বিভিন্ন অংকের টাকা জরিমানা করেছেন। ক্রেতা ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম ও মেজবাহুল আলম এই আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় জেলা শহরের সালিমার সুপার মার্কেটের সংলগ্ন হ্যাপি কর্ণার ও চাওয়া-পাওয়া কনফেশনারির দোকান থেকে যথাক্রমে ১০ হাজার ও ৫ হাজার টাকা, পার্করোডের মিল্টন বিস্কুট ফ্যাকটরির শো-রুমের ৩ হাজার, মুক্তিযোদ্ধা অফিসের পার্শে মর্ডান কনফেশনারী ২.০০০ হাজার টাকা, কালীবাড়ী রোডের খন্দকারের মোড়ে আসলাম ও রঞ্জু কনফেশনারী দোকান থেকে সাড়ে ৬ হাজার ৫.০০০ পাঁচ টাকা জরিমানা করে। শহরের বিভিন্ন কনফেশনারির দোকান থেকে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যূাজিস্ট্রেট ৬টি কনফেশনারি দোকান থেকে ২৬ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা আদায় করেন বলে জানাগেছে। এই সব মেয়াদ উত্তির্ণ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী রাখার দায়ে এসব জরিমানা করেন।


 গোবিন্দগঞ্জে রাস্তার গাছ কাটার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রাস্তার গাছ জোর পূর্বক কেটে আত্মসাৎ করার চেষ্টার প্রতিবাদে শতশত আদিবাসী এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। তারা আত্মসাৎ কারীদের শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।  জানা গেছে, উপজেলার কামদীয়া ইউনিয়নের কাঁচের চড়া চাঙ্গুয়া গ্রামের ইউপির রাস্তায় এবং সাতয়ানা স্কুলের রাস্তায় আদিবাসী সহ এলাকার সহজ সরল লোকেরা আটআনা চুক্তির মাধ্যমে গত ২০০৫ সালে প্রায় ১ হাজার ৮শ ইউক্লিপ্টাঁস গাছের চারা রোপন করে। গাছগুলি পূর্ণ বয়স্ক হওয়ার পূবেই কামদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী বাবলু, ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক সজল চৌধুরী ও গ্রামের বাটপার শামছুল ইসলাম যোগসাজস করে গাছ গুলি কেটে আত্মসাৎ এর চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতি মধ্যে তারা গাছ কাটার ভুয়া কাগজ পত্র তৈরী করে সকল প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। একথা জানতে পেরে গাছ রোপন ও যতœকারী এলাকার আদিবাসী ও সাধারণ মানুষেরা অবৈধ চুক্তি ও কাগজ পত্র বাতিলের জন্য গত ১০ এপ্রিল মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য সহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ পত্র জমা দিয়েছে এবং আজ শুক্রবার এলাকার শত শত মানুষ সমাবেত হয়ে এক বিশাল মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার  সভাপতি মিল্টন হেমরম সহ ধিরেন্দ্র নাথ চন্দ্র বর্মন,মারিয়ম স্বরেন, শ্রী প্রফল্ল চন্দ্র বর্মন, জোনাক চন্দ্র ,জর্জ মরমু , যুবণীগ নেতা সোহাগ মন্ডল , সেকেন্দার আলী, তাজু সরকার, শাহজাহান প্রমূখ । 
 
গাইবান্ধার রামসাগর এক্সপ্রেস দেড় বছরেও চালু হয়নি বন্ধ হওয়া

আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধা-দিনাজপুর রেল রুটের বন্ধ হওয়া রামসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি দেড় বছরেও চালু হয়নি। সরকারী উচ্চ পর্যায়ের চাপে বেশ কয়েকবার ট্রেনটি চালু করার আস্বাস দেয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে ট্রেনটি চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এতে করে গাইবান্ধার বোনারপাড়া-দিনাজপুর রেল রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, ২০১০ ইং সালের ডিসেম্বর মাসে বোনারপাড়া থেকে গাইবান্ধার উপর দিয়ে দিনাজপুর পর্যন্ত রেল রুটে চলাচল শুরু করে রামসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি। বোনারপাড়া রেলওয়ে জনশন ও গাইবান্ধার রেল যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ রংপুর, দিনাজপুর যাওয়ার জন্য ট্রেনটি চালু করা হয়েছিল। সহজ ও আরামদায়ক ভ্রমনের জন্য এ ট্রেনটিতে যাত্রীদের যথেষ্ঠ ভীড় ছিল। ৬টি বগীর ৪শ ১০ আসন কানায় কানায় ভরে য়েত যাত্রী দ্বারা। প্রতিদিন সকাল ৬ টায় বোনারপাড়া থেকে ট্রেনটি দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে পৌঁছাইত বেলা ১১ টার সময়। এলাকাবাসীর চিকিৎসা, শিক্ষাবোর্ডের কাজ, ও বিভাগীয় শহরের কাজ সহ নানা কাজে যাওয়ার সহজ ও সুবিধাজনক মাধ্যম ছিল রামসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি। ২০১৩ সালে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করে ইঞ্জিন, বগী ও লোকবলের সংকট দেখিয়ে ট্রেনটির চলাচল বন্ধ করে দেয়। এবং তখন থেকেই চরম বিপাকে পড়ে উল্লেখিত রেল রুটের যাত্রীরা। গত দেড় বছরে বেশ কয়েকবার রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ট্রেনটি চালুর আস্বাস দিলেও অজ্ঞাত কারনে আজ পর্যন্ত এটি চালু হচ্ছে না। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বেশ কয়েকজন যাত্রী এ প্রতিনিধিকে জানায়, ট্রেনটি পুনঃরায় চালু করা হলে গাইবান্ধা এলাকার যাত্রীদের যোগাযোগ সমস্যার অনেকটা সমাধান হবে। এ ব্যাপারে লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় ডিভিশনাল ম্যানেজার (ডিআরএম) মাহাবুব হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, উপরথেকে রামসাগর ট্রেনটি চালুর ব্যাপারে খুবই চাপ পড়েছে। কিন্তু বগী, ইঞ্জিন, লোকবল ও আনুসঙ্গিক সমস্যার কারণে ট্রেনটি এই মহুর্তে চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

মফস্বল সংবাদ এর অন্যান্য খবর
 
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com