লগ-ইন ¦ নিবন্ধিত হোন
 ইউনিজয়   ফনেটিক   English 
নদী দখলকারীরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের ১৩ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার কি আদৌ তা পারবে?
হ্যাঁ না মন্তব্য নেই
------------------------
নিউজটি পড়া হয়েছে ৪৫৯ বার
চট্টগ্রামে টানা বর্ষণ, তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল
চট্টগ্রামে কয়েক ঘণ্টার টানা ভারি বর্ষণে গতকাল জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। গৃহবন্দী হয়ে পড়ে নগরবাসী। নগরীর পূর্ব ও পশ্চিম অংশের নিম্নাঞ্চল কোমর পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় যান চলাচল কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ হয়ে যায়। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ে কর্মজীবী, শিক্ষার্থীরা ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে যায়। বিমানের সিডিউল বিপর্যয় ঘটে। নগরীতে নিচতলার বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বেলা ৩টার পর সড়কের পানি নেমে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৮২ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালায় বৃষ্টিপাত বেশি হয়েছে। ধীরে ধীরে বর্ষণ কমে যাবে বলে আবহাওয়াবিদরা জানান। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

রবিবার ভোর থেকেই ভারি বর্ষণ শুরু হয়। সকাল ৮টার পর বৃষ্টির পানিতে নগরীর নিম্নাঞ্চলগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। নগরীর চান্দগাঁও, বহদ্দারহাট, শুলকবহর, মুরাদপুর, ২নং গেইট, জিইসি মোড়, চকবাজার, বাকলিয়া, প্রবর্ত্তক মোড়, হালিশহর, আগ্রাবাদ এলাকার বিভিন্ন স্থানে কোমর পর্যন্ত পানি হয়। এসব এলাকার নিচতলায় বসবাসকারী বাসিন্দা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চরম দুর্ভোগ নেমে আসে। পানি ঢুকে পড়ে বাসার আসবাবপত্র, দোকানের পণ্য সামগ্রী ডুবে যায়। বহদ্দারহাট থেকে বিমান বন্দর পর্যন্ত প্রধান সড়কে প্রায় চার ঘণ্টা গণপরিবহন-সহ সকল ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উপস্থিতি ছিল কম।

সীতাকুন্ড হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, ভারি বৃষ্টির কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সকাল থেকেই যানবাহন চলাচল কম থাকায় কোন যানজট ছিল না। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ঢাকামুখী বিভিন্ন চেয়ারকোচ ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বাড়তে থাকে।

চট্টগ্রাম বন্দরের ট্রাফিক বিভাগ জানান, ভারি বৃষ্টির কারণে সকাল থেকেই পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। ৫টি কার্গো জাহাজ থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত পণ্য খালাস বন্ধ ছিল। তবে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল কম। দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র খাতুনগঞ্জেও বেচাকেনা স্থবির হয়ে পড়ে। চাক্তাই খালে পানি উপচে পড়ে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। খাতুনগঞ্জ ও চাক্তাই এলাকার বিভিন্ন পণ্যের গুদামে ও দোকানে পানি ঢুকে পড়ে। এতে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য পানিতে ভিজে যায়। এদিকে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশন অনেক কাজ করেছে বলে দাবি করলেও কোন সুফল পাচ্ছে না নগরবাসী। কয়েক ঘণ্টার ভারি বর্ষণেই নগরীর নালা ও খালগুলোর পানি উপচে পড়ায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
চট্টগ্রাম বিভাগ এর অন্যান্য খবর
Editor: Syed Rahman, Executive Editor: Jashim Uddin, Publisher: Ashraf Hassan
Mailing address: 2768 Danforth Avenue Toronto ON   M4C 1L7, Canada
Telephone: 647 467 5652  Email: editor@banglareporter.com, syedrahman1971@gmail.com