

মোহাম্মদ রাকিব বিন রহিম : আহলা দরবার শরীফের ত্বরিকত ভিত্তিক আধ্যাত্মিক সূফী সংগঠন আঞ্জুমানে আসাদীয়া নূরীয়া সেহাবীয়ার আয়োজনে আগামী ১২ই রবিউল আউয়াল রাজধানী ঢাকায় বৃহত্তর জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৮৯ সালে রাজধানী ঢাকায় জশনে জুলুস প্রতিষ্ঠা করে সেই জুলুসে ছদারত করেন আহলা দরবার শরীফের আধ্যাত্মিক সূফি সাধক রাহনুমায়ে শরীয়ত, পীরে ত্বরিকত হাদীয়ে জামান হযরতুল আল্লামা শাহসূফি সৈয়দ আবু জাফর মুহাম্মদ সেহাবউদ্দীন খালেদ আল-ক্বাদেরী, আল-চিশতী (রাহঃ)।
২০১১ সালের ৫ এপ্রিল হুজুর হাদীয়ে জামান সেহাবউদ্দীন খালেদ আল-ক্বাদেরী আল-চিশতী (রাহঃ) দুনিয়া থেকে পর্দা (ইন্তেকাল) করলে তারপর থেকে এই জুলুসে ছদারত করেন তার একমাত্র শাহজাদা আহলা দরবার শরীফের বর্তমান সাজ্জাদানশীন রাহবারে ত্বরিকত শাহসূফি সৈয়দ আবরার ইবনে সেহাব আল-ক্বাদেরী, আল-চিশতী (মাঃজ্বিঃআ)।
১৯৮৯ সালে যখন রাজধানী ঢাকায় জশনে জুলুসের আয়োজন করা হয়েছে তখন রাজধানীতে সুন্নীয়তের নাম নেওয়াটা ছিল দুঃসাহসের বিষয়। যখন রাজধানীতে সুন্নীয়তের পতাকা উড়ানোব কেউ ছিল না তখন রাসুল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শে উজ্জীবীত আহলা দরবার শরীফের বক্ত মুরিদাদের নিয়ে রাসুল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জুলুস প্রতিষ্ঠা করেন হাদীয়ে জামান হুজুর হযরতুল আল্লামা শাহসূফি সৈয়দ সেহাবউদ্দীন খালেদ আল-ক্বাদেরী আল-চিশতী (রাহঃ)।
আজ সুন্নীয়তের এই দুঃসময়ে একজন সেহাবউদ্দীন খালেদ (রাহঃ) কে খুবই দরকার। ছিন্নভিন্ন সুন্নীয়ত কে এক রাখার জন্য একজন সেহাবউদ্দীন খালেদ (রাহঃ) ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রসেনা প্রতিষ্ঠা করেছেন। আজ বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রসেনা বাংলাদেশের জেলা উপজেলা গ্রামগঞ্জে এক নামে পরিচিত।
মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের উপর হাদীয়ে জামান হুজুর হযরতুল আল্লামা শাহসূফি সৈয়দ আবু জাফর মুহাম্মদ সেহাবউদ্দীন খালেদ আল-ক্বাদেরী আল-চিশতী (রাহঃ) এর ফয়েজ দান করুক আমিন সুম্মা আমিন বেহুরমতি স্যায়িদিল মুরসালিন।
আপনার মতামত লিখুন :